পাতা

প্রকল্প

 

জাতীয় যক্ষ্ণা  নিয়ন্ত্রন কার্য্যক্রম

বরুড়া কুমিল্লা  ।

যক্ষ্ণা সম্পর্কিত তথ্যাবলীঃ-

যক্ষ্ণা  একটি সংক্রামক  ব্যাধি যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক জীবানু দ্বারা হয় । একনাগাড়ে একুশ দিনের বেশী কাঁশি যক্ষ্ণা রোগের প্রধান লক্ষন । এক  মাত্র কফ পরীক্ষার মাধ্যমে অতি সহজে সংক্রামক যক্ষ্ণা রোগী সনাক্ত করা যায় । তাই যাদের এক নাগাড়ে একুশ দিনের বেশী কাঁশি আছে তাদেরকে অবশ্যই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বরুড়া বা ব্র্যাক স্মেয়ারিং সেন্টারগুলিতে বিনা মূল্যে কফ পরীক্ষা করে আপনার যক্ষ্ণা হইয়াছে কিনা তা  নিশ্চিত করুন এবং রোগ সনাক্ত হলে বিনা মূল্যে চিকিৎসা গ্রহন করুন ।  DOTSপদ্ধতিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মাধ্যমে এবং ব্র্যাকের সহযোগীতায় সকল যক্ষ্ণা রোগী বিনা মূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়  ।

 

    বাংলাদেশে  মোট  ১ লক্ষ জনসংখ্যায় ২২৫ জন যক্ষ্ণা রোগী আছে । এর মধ্যে ১০০ জন সংক্রামক যক্ষ্ণা রোগী যারা প্রতিনিয়ত হাঁচি কাঁশির মাধ্যমে রোগ ছড়াচ্ছে । বাকী ১২৫ জন অসংক্রামক যক্ষ্ণা রোগী (অর্থ্যাৎ স্পুটাম নেগেটিম কিন্তু এক্স-রে প্রজেটিভ এবং ই পি রোগী ) ঐ হিসাবে বরুড়া উপজেলায়  ৪,০০০০০ লক্ষ্য জনসংখ্যায় মোট -৪০০জন সংক্রমক যক্ষ্ণা রোগী আছে । আমাদের জাতীয় টা©র্গট এর ৭০% কেইস ধরতে  এবং ৮৫% কেইস কিউর  করতে হবে ।

১।  মোট জনসংখ্যা - ৩৯৯৮৬৯ জন

২। ১০০০০০ জনসংখ্যা মোট টিবি রোগী ২২৫ জন ।

৩। ১০০০০০ জন সংখ্যায় মোট স্পুটাম প্রজিটিভ রোগী ১০০ জন ।

৪। বরুড়া উপজেলায় ১০০% টার্গেটে মোট প্রজিটিভ রোগী ৪০০ জন ।

৫। আমাদের জাতীয় টার্গেট ৭০% কেইস ধরতে হবে এবং ৮৫% কেইস আরোগ্য করতে হবে ।

৬। প্রতি ১০ জন্য সন্দেহ জনক রোগীর কফ পরীক্ষা করলে ১ জন প্রজিটিভ রোগী পাওয়া যায় ।

 

৮ । ২০১৩সালের টিবি রোগীরতথ্যাবলিঃ-

ক। মোট কফ পরীক্ষা -৩৫৪৪ জন ।

খ। মোট প্রাপ্ত রোগী -৪২০ জন ।

গ।  মোট প্রজিটিভ রোগী -৩৩৩+৩আর =৩২৫ জন ।(আর রেজিষ্ট্যান্ট )

ঘ। মোট নেগেটিভ রোগী -৪০ জন ।

ঙ।  মোট ফুসফুস বহিভূত রোগী -৪৪ জন ।

চ। ২০১০ সালে কেইস ডিটাকশনরেইট -৮০.৫০% ।

 

। অন্যান্য তথ্যাবলী ঃ-

ক। স্থায়ী কফ পরীক্ষা কেন্দ্র -০২ টি ।

(১) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  বরুড়া কুমিল্লা  ।

(২) ভাউকসার পেরিফেরাল ল্যাব, বরুড়া কুমিল্লা  ।

(খ) অস্থায়ী কফ পরীক্ষা কেন্দ্র -৪০ টি ।


Share with :

Facebook Twitter